স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুদেব রায় পেশায় একজন নাপিত (সেলুন কর্মী)। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের ধর্মীয় পরিচয় আড়াল করে বা ভিন্ন কৌশলে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের একাধিক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে তিনি তরুণীদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতেন বলে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা দাবি করেছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, সুদেব রায় কেবল প্রেমের সম্পর্কই গড়েননি, বরং ওই তরুণীদের বিদেশে-বিশেষ করে ভারতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করেছেন। এই পাচার চেষ্টার বিষয়টি সামনে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা তথ্য সংগ্রহ করতে সুদেব রায়ের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, অভিযোগ জানাজানি হওয়ার পর থেকেই সুদেব পলাতক রয়েছেন। তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে পরিবার কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেনি।”আমরা বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি। সচেতন মহল থেকে দাবি জানানো হচ্ছে যাতে দ্রুত তদন্ত করে আসল সত্য বের করা হয় এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়।”
দেবিদ্বার থানা পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তারা মৌখিকভাবে শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী বা তাদের পরিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। পুলিশ আরও জানায়:লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত তদন্ত শুরু করা হবে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে ইষ্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় এ নিয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সচেতন মহল এই ঘটনায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এবিডি.কম/রাজু